বাঘা-চারঘাটে নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্ক আর থাকবেনা- প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি ও
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে রাত জেগে আর থাকতে হবেনা। পানির ঢেউয়ে নদীর পাড়ে ধাক্কা লাগবেনা। নদী রক্ষায় শীঘ্রই কাজ শুরু করা হবে। সোমবার (২৩-৯-১৯) বিকেলে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর নাপিতপাড়া, মধ্যপাড়া ও দক্ষিনপাড়া নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যার আগ মূহুর্তে পদ্মাপাড়ের ঈদগাহ এলাকায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যকালে এসব কথা বলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন আজকের পর মঙ্গলবার থেকেই ভাঙন কবলিত এলাকার ১০০ মিটার কাজ শুরু হবে। এছাড়াও ৪.৩ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও ১ কিলোমিটার সিসিব্লকসহ ১২ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং করা হবে। এজন্য রাজশাহীর বাঘা-চারঘাট উপজেলার পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থাপনাসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। যার প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছে ৬শ ৯৯ কোটি টাকা। নদীভাঙন থেকে জনসাধারনের জানমাল রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের অনুমোদন অতিশীঘ্রই পাওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঘা-চারঘাটের নদী ভাঙনের দুর্দশা থাকবেনা।
এ সময় তিনি বলেন,শেখ হাসিনার নের্তৃত্বে দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালি হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবেও বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। সরকারের পাশাপাশি নদী তীরবর্তী সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি ও গনমাধ্যমকর্মীসহ সবাইকে নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মাহফুজুর রহমান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল রাজশাহীর প্রধান প্রকৌশলী মহম্মদ আলী, তত্বাবধায়ক সার্কেল রাজশাহীর প্রকৌশলী আমিরুল হক ভূঞা, নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ শহিদুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আসিফ আহম্মেদ, বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. লায়েব উদ্দীন লাভলু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন রেজা, উপজেলা প্রকৌশলী রতন কুমার ফৌজদার, পাকুড়িয়া ইউনিয়নের আ.লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী .ছাত্র নেতা মেরাজুল ইসলাম সরকার।

No comments