বাঘায় বৃদ্ধের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ, বিশ মামলার একজন ফেনসিডিল সহ গ্ৰেপ্তার
![]() |
| ৬২ বছর বয়সের এক বৃদ্ধের বলাৎকারের অভিযোগ |
বিশেষ প্রতিনিধি
৬২ বছর বয়সের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে পুলিশ সাপ,ব্যাঙ খেকো মতিউর রহমান ওরফে মতি নামে পরিচিত ওই বৃদ্ধকে গ্ৰেপ্তার করেছে। সে বাঘা পৌর সভার উত্তর মিলিক বাঘা গ্ৰামের মৃত মজের প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬জুলাই) রাতে দায়ের করা মামলায় মতিকে গ্ৰেপ্তার করে শুক্রবার (১৭ জুলাই) আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সেখানে বলাৎকারের স্বীকার ওই শিশু বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
জানা গেছে,গত রোববার ওই শিশুকে মজা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে বলাৎকার করা হয়। রক্তপাতে শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার উন্নতি না হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার (১৬জুলাই) বাড়ি ফিরে শিশুর মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে বাঘা থানায় মামলা দায়ের করেন। রেহেনা বেগমও বাঘা পৌর সভার উত্তর মিলিক বাঘা গ্ৰামের বাসিন্দা। মতির যৌন সক্ষমতা আছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এদিকে পৃথক অভিযানে মাদক কারবারি শাহাদত হোসেন (৩৬)কে ৩৫ বোতল ফেনসিডিল সহ গ্ৰেপ্তার করে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদ সুত্র জানায় দুইজন ব্যাক্তি ফেনসিডিল ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের তেতুলিয়া বাজারের পূর্ব পাশে এক কামারের দোকানসংলগ্ন অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হকের দিক নির্দেশনায় এসআই প্রদ্যুৎ কুমারের নেতৃত্বে এসআই শেখ আবু জামিল হাসান, এএসআই মোস্তাফিজুর রহমান, এএসআই আব্দুল মালেকসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একজন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে। এসময় শাহাদতের কাছে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৩৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার সহ গ্ৰেপ্তার করা হয়।
. গ্ৰেপ্তার শাহাদত ঢাকার ২৪০ তেজকুনি পাড়ার বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাদক কারবারি শাহাদতের বিরুদ্ধে পুঠিয়া, চারঘাট ও বাঘা থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদক ও ডাকাতিসহ মোট ২০টি মামলা রয়েছে।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল হক বলেন, শুক্রবার উভয় আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

No comments