আড়ানি এরশাদ আলী জেনারেল হাসপাতালে রুগির মৃত্যু
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি ঃ
রাজশাহীর বাঘায় হাট বাউসা গ্রামের এক নারি বেসরকারি ক্লিনিকে পিত্তথলির পাথর অপারেশনের পর মত্যৃবরণ করেছে।উপজেলার আড়ানিতে বেসরকারি এরশাদ আলী জেনারেল হাসপাতালে অপপারেশনের পর ববিতা (২৮) নামের এই নারি মৃত্যুবরণ করে। তবে অভিযোগ না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই এলাকার গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ওই নারির পরিবার থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বৃহসপতিবার (৫-১২-১৯)দুপুর ১২ টার সময় তাকে উপজেলার এরশাদ আলী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন বিকেলে সাড়ে ৫ টায় অপারেশনের পর মৃত্যুবরণ করে। ক্লিনিকের অব্যস্থাপনাকে দায়ী করে স্থানীয়রা বলেন,এতে করে লাশের মিছিল বেড়েই যাচ্ছে।
এদিকে ওই নারির মৃত্যুর পর তাকে চিকিৎসকের গাড়িতে তার বাড়িতে পৌঁছে দিতে গিয়ে স্থানীয়দের রোষানলে পড়েন চিকিৎসক ফয়সাল শাহ নেওয়াজ। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।
নিজেকে সার্জারি চিকিৎসক হিসেবে দাবি করে ফয়সাল শাহ নেওয়াজ বলেন,ক্লিনিকের রীতি অনুযায়ী অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। শাকিল আহমেদ নামের একজন অজ্ঞানের (এ্যানাসথেসিয়া) চিকিৎসকের সমন্বয়ে অস্ত্রপচারের পর রুগী ববিতার খিঁচুনি শুরু হয়। এতে হার্ট এ্যাটাকের ধারনা করে জরুরি চিকিৎসার জন্য তার গাড়িতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। পরে তার নিজের গাড়িতে ওই রুগিকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। সে সময় আবেগপ্লাবুত স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। তবে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি মৃত রুগির পরিবারকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন। তবে ভ‚ল চিকিৎসায় নয়,হার্ট এ্যার্টাকে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন এই চিকিৎসক।
মৃত ববিতার স্বামী আসলাম হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তাদের কোন অভিযোগ ছিলনা। ক্লিনিকের স্বত্তাধিকারি মুনজুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে,তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, মৃত্যুর ঘটনায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে নিজেই সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে চিকিৎসক ও ক্লিনিকের বৈধতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। এতে ক্লিনিকের কাগজপত্র নবায়নের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে অবগত করেছেন।

No comments