Header Ads

  • সর্বশেষ খবর

    বাঘায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষা শেষ হওয়ার ২দিনেও ফলাফল মেলেনি , আবেদন করলেও হতাশায় পরীক্ষায় উপস্থিতি অর্ধেক

     


     বিশেষ প্রতিনিধি 

    রাজশাহীর বাঘায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি ২০২৬ এর ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্য ভান্ডারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে গত বুধবার (১২ আগষ্ট ) । তবে শুক্রবার পর্যন্ত ফলাফল প্রকাশ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একইসাথে কতজন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন তার সঠিক তথ্যও দিতে পারেননি কর্মকর্তারা। এনিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের সহকারী-পরিচালক ও ১ জন ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষার সময় উপস্থিত ছিলেন। সেই সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।


    জানা গেছে, গত  বুধবার (১২ আগষ্ট)সকালে উপজেলায় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য সংগ্রহকারী পদে আবেদন জমা পড়ে ৬৫৬ জনের। এর মধ্যে নতুন ১২৫ জন ও আগের ৫৩১ জন। সুপারভাইজার পদে আবেদন জমা পড়ে ১১০ জনের। এর মধ্যে নতুন ১৭ জন ও আগের ৯৩ জন।


    আগের বিজ্ঞপ্তিতে নিযুক্ত করার কথা তথ্য সংগ্রহকারী পদে ৮২ জন , রিজার্ভ ৩ জন ও সুপারভাইজার পদে ৭ জনকে রিজার্ভ ১ জন। পরের বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য সংগ্রহকারী পদে ৩ জন বাড়িয়ে ৮৫ জন, রিজার্ভ ৮ জন সুপারভাইজার পদে ১ জন বাড়িয়ে ৮ জন ও রিজার্ভ ১ জন।


    পরীক্ষার পরের দিন বৃহস্পতিবার(১৩ আগষ্ট ) দুপুর ২ টায় উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষায় উপস্থিতির সংখ্যা জানতে চাইলে সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন মন্ডল বলেন, "তথ্য সংগ্রহকারী পদে মোট আবেদনকারীর মধ্যে ৫৭ দশমিক ৪ %  উপস্থিত ছিলেন। সুপারভাইজারসহ আপডেট তথ্য বিকাল ৫টায় দিতে পারবো বলে জানান। এবিষয়ে  ইউএনও স্যারের কাছ থেকে তথ্য  নিতে পারবেন বলেও জানান।" 


    পরে ইউএনওর কার্যালয়ে গেলে বাঘা উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন,সমাজসেবা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেন আমি বলেন দিব। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় সমাজ সেবা অফিসারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে  তিনি বলেন, "চারঘাট ইউএনও স্যারের বাসার কাজ শেষ করে রাতে জানাবো।" রাত ৮টায় ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।


    পরীক্ষায় অংশ গ্ৰহনকারীরা জানান,৩ ধাপে ভাগ করে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। সময় ছিল ২০ মিনিট। পরে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। 

    পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া কয়েকজন প্রার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "পরীক্ষা দিয়ে লাভ হবে না জেনেই অংশ নেননি।"

     

    এর আগে ২৫ জুলাই প্রথম দফায় পরীক্ষা হয়। সেদিন সুপারভাইজার পদের ব্যবহারিক ফল তাৎক্ষণিক ঘোষণা করা হয়। এরপর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেন। বিকেলে এক পত্রে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। পরের দিন ইউএনওর বদলি আদেশ দেওয়া হয়েছে।


    পরে ২৮ জুলাই পর্যন্ত নতুন করে আবেদন নিয়ে ২৯ জুলাই পরীক্ষার তারিখ দেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন আবারো এক চিঠিতে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।


    সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উপজেলায় নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম , স্বজনপ্রীতির অভিযোগে ইউএনওর কার্যালয় ঘেরাও, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বাঘাতেও অল্প সংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফদ প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে  - স্বচ্ছতার চেয়ে কোন প্রভাব কাজ করছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    ইউএনও জানিয়েছেন, ফলাফল প্রকাশে স্বচ্ছতার কমতি থাকবে না।

    No comments

    Post Top Ad

    ad728

    Post Bottom Ad

    ad728